
প্রতিষ্ঠাতা
“অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত খামারই বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ বিপ্লবের ভিত্তি।”
মোঃ সাকিল রানা স্বাধীন
উদ্ভাবক ও প্রতিষ্ঠাতা
আমাদের সম্পর্কে
অর্গাভেট মেডিসিন লিমিটেড বাংলাদেশের পোলট্রি ও এগ্রো-ফার্মা সেক্টরে একটি নতুন দিগন্তের নাম।

পোল্ট্রি শিল্পে ঔষধের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ব্যাপক আকারে এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার মানব স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং খামারিদের উৎপাদন খরচ ক্রমেই বাড়ছে।
খামারিদের উৎপাদন খরচ কমানো এবং স্বাস্থ্যসম্মত প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনের লক্ষ্যে দীর্ঘ 7 থেকে 8 বৎসর হাঁস এবং মুরগির উপর গবেষণা পরিচালনা করা হয় — এবং তা সফল হয়। কোনো ঔষধ কোম্পানির সাথে প্রতিযোগিতা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) গাইডলাইন অনুসারে একজন মানুষকে বছরে ন্যূনতম 104টি ডিম ও দৈনিক 120 গ্রাম মাংস খেতে হবে — আর তা হতে হবে নিরাপদ।
আমাদের দর্শন
ভেষজ ও জৈব উপাদানে তৈরি — কোনো এন্টিবায়োটিক নেই।
7–8 বছর হাঁস ও মুরগির উপর মাঠপর্যায়ের পরীক্ষা।
সরকারি ও BCSIR ল্যাবে মান যাচাই করা।
মৃত্যুহার কমিয়ে খামারির খরচ বাঁচায়।
উইথড্রয়াল সময় ছাড়াই নিরাপদ মাংস ও ডিম।
যেকোনো সমস্যায় ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে পরামর্শ।
আমাদের গল্প
উঠোনের কয়েকটি মুরগি থেকে এন্টিবায়োটিক-মুক্ত খামার — চার অধ্যায়ে আমাদের গল্প।

অধ্যায় 1 · 90-এর দশক
গ্রামের প্রতিটি বাড়ির উঠোনে কয়েকটি হাঁস-মুরগি — সেখান থেকেই বাংলাদেশের পোলট্রি শিল্পের যাত্রা শুরু।

অধ্যায় 2 · 2010-11
খামার বড় হলো, সাথে বাড়ল এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার। খরচ বাড়ল খামারির, ঝুঁকি বাড়ল মানুষের।
27.88 কোটি মুরগি · 574 কোটি ডিম

অধ্যায় 3 · 7–8 বছর
বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদদের দল হাঁস-মুরগির উপর দীর্ঘ গবেষণা চালায় — প্রকৃতির উপাদানেই খুঁজে পায় সমাধান।

অধ্যায় 4 · আজ
এন্টিবায়োটিক ছাড়াই সুস্থ মুরগি, নিরাপদ ডিম আর খুশি খামারি। আমাদের গল্প এখন আপনার খামারেও।
35.65 কোটি পাখি · 1736 কোটি ডিম (2019-20)
আমাদের ব্যবস্থাপনা ও উপদেষ্টা
অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি বিশেষজ্ঞ ও অর্গানিক গবেষকদের নিয়ে গঠিত আমাদের দল — যাঁরা বাংলাদেশের খামারিদের জন্য নিরাপদ, রাসায়নিকমুক্ত প্রাণিসম্পদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছেন।

প্রতিষ্ঠাতা
“অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত খামারই বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ বিপ্লবের ভিত্তি।”
উদ্ভাবক ও প্রতিষ্ঠাতা
50+
খামারি সভা
10+
সম্মাননা
20+
মিডিয়া কভারেজ
100%
মাঠ-ভিত্তিক
অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি চিকিৎসকের ফ্রি পরামর্শ, 24 ঘন্টা টেকনিক্যাল সাপোর্ট।